বিএনপির লং মার্চ: আগরতলা অভিমুখে প্রতিবাদ

বিএনপির লং মার্চ: আগরতলা অভিমুখে প্রতিবাদ

আজ, ১১ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের তিনটি বিএনপি সংগঠন আগরতলা অভিমুখে একটি লং মার্চ আয়োজন করবে, যা ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, ভাঙচুর, জাতীয় পতাকা অপসারণ ও ছিঁড়ে ফেলার প্রতিবাদে এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর ষড়যন্ত্রের বিরোধিতায় অনুষ্ঠিত হবে। যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এই লং মার্চটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হবে এবং আখাউড়া সীমান্তে গিয়ে শেষ হবে।’ তিনি অভিযোগ করেন যে, হাইকমিশনে সহিংস হামলার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ছিল, যা ভারত সরকারের মৌন সমর্থনই প্রকাশ করে। তিনি আরও বলেন, কিছু মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছে।

মুনা ভারতকে ‘ক্রিমিনালদের আশ্রয়কেন্দ্র’ হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, ‘ভারত ভিত্তিহীন গুজব তৈরি করছে এবং শেখ হাসিনার গণহত্যার সময় ভারত নীরব ছিল।’ তিনি বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।’

তিনি ঘোষণা করেন, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার থাকব এবং আগামী ১১ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে আখাউড়া সীমান্ত পর্যন্ত লং মার্চে অংশ নেব।’

এছাড়াও, ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দিকে পদযাত্রা করে বিএনপির তিন সংগঠন। নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেয়। রামপুরায় পুলিশ অনুরোধ জানালে পদযাত্রা শেষ হয় এবং ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বারিধারার ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেয়।

সর্বশেষ সংবাদ